পিটার প্ল্যান

২০১৯ সালের পর এই প্রথম পিটার যাচ্ছি। সেবার গেছিলাম কসমোলজির উপর একটি কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করতে। ২০২১ সালে ক্রিস্তিনা পিটারের ভর্তি হলে ভেবেছিলাম এখন থেকে এদিকটায় আসা হবে। মনিকা তো সুযোগ পেলেই চলে যায়। প্রথম দিকে আন্তন আর সেভাও যেত। গুলিয়া গেছিল ২০২৫ এর হেমন্তে। আমি সিরিয়ালে সবার শেষে। আসলে আমার কোথাও যাওয়া মানে হয় কনফারেন্সে যাওয়া, নয়তো কোথাও গবেষনা পত্র উপস্থাপন করতে না হয় কারোও ডিফেন্সের পরীক্ষক হয়ে। ক্রিস্তিনা অনেক দিন থেকেই বলছে যেতে। অনেক সুন্দর সুন্দর স্পটে ছবি তুলতে। তাই ভাবলাম পিটারে কোন ইনস্টিটিউটের বন্ধুদের সাথে গবেষণার ব্যাপারে যোগাযোগ না করে এমনিতেই চলে যাই। প্ল্যান ছিল ঘুরে বেড়ানো আর বাংলাদেশী বন্ধুদের সাথে দেখা করা। পার্থ বলেছে দেখা করতে পারবে। পল্লব বাইরে। দিয়ানা চেষ্টা করবে।

গুলিয়াকে বলতেই বায়না ধরল আমার সাথে যাবে। সেভা এলো কুকুরদের রাখাল বালক হয়ে। গুলিয়া যাওয়া মানেই বিভিন্ন এক্সারশন। মঙ্গলবার তিন জনে যাব প্রাচীন শহর পস্কোভ। বুধবার ভেলিকি নভগোরাদ। এখান থেকেই রিউরিক বংশের শুরু। কিয়েভেরও আগে। ক্রিস্তিনা ওখানে দুবার গেছে অভিনয় করতে। ও একটা থিয়েটারের সাথে মাঝে মাঝে কাজ করে। তাই যাব আমরা দুজন। বৃহস্পতিবার যাব ভালাম। এটা লাদোগা হ্রদে এক প্রাচীন মনাস্তেরি। যাব স্পীড বোটে, বিভিন্ন দ্বীপ ঘুরে ঘুরে। 

আমি আসলে এরকম একদিনের ট্রিপ খুব পছন্দ করি, বিশেষ করে প্রাচীন রুশ শহরগুলোতে। ছবি তুলব। এজন্যই তো যাওয়া। 

পিটারের পথে, ২৩ আগস্ট ২০২৬

Comments

Popular Posts