সত্য
ইদানিং যাই রান্না করি না কেন গুলিয়া ধরতে পারে না সেটা মাছ না মাংস। সেদিন তিন হাজার রুবল কেজি দামে ট্রাউট মাছ কিনে রান্না করে ভাবলাম এটা ঠিক টের পাবে। না, যাহা বায়ান্ন তাহাই তেপান্ন। সমস্যা কি আমার রান্নার নাকি গুলিয়ার উপলব্ধি করার ক্ষমতার? কে জানে? গুলিয়া মুখ ফুটে না বললেও বুঝি আজকাল আমি যা আর যেভাবেই রান্না করি না কেন সবই মোটামুটি সাম্যবাদী হয়ে যায় যার সঠিক নাম হতে পারে অখাদ্য। আজ পার্চ মাছ রান্না করার সময় গুলিয়া যখন জিজ্ঞেস করল কি রাঁধছি, নিরাপদ হবে ভেবে উত্তর দিলাম
- মাছের মাংস।
মাছের যদি হাড় থাকে (রুশ ভাষায় মাছের কাঁটা, পাখি বা প্রাণীর হাড্ডি সব এক শব্দে প্রকাশ করা হয়) তাহলে মাংস থাকবে না কেন? এটাই ছিল আমার যুক্তি। আর যায় কোথায়?
- মাছের আবার মাংস হয় নাকি? তোমার বুদ্ধি সুদ্ধি কবে হবে?
তাই তো? আমার বুদ্ধি সুদ্ধি কবে হবে? আবার নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখার জন্য বললাম
- সমাধি পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। বলে না সমাধি সব সমস্যার সমাধান করে।
না, কোন লাভ হল না। লোকজন আজকাল সত্য কথা শুনতে ভুলে গেছে।
দুবনা, ১২ আগস্ট ২০২৬
Comments
Post a Comment