উদ্ভট ইচ্ছে
ছাত্রজীবনে আমি থাকতাম ২ নম্বর ব্লকে আর বাঙালিদের আড্ডা হত ৭ বা ১০ নম্বর ব্লকে। তাই আমার এদিকটায় কেউ খুব একটা আসত না। সে সময় আমি প্রতি শনিবার দম তুরিস্তা থেকে একটা কেক এনে জন্মদিন পালন করতাম। বাংলাদেশের বন্ধুরা কালেভদ্রে এলেও রুশ বন্ধুরা নিয়মিত আসত। এটা ছিল এক ধরণের খেলা।
গতকাল বিয়ে উপলক্ষ্যে একটা পোস্ট দেবার পর টাইম লাইনে অভিনন্দনের বন্যা বয়ে গেছে। বছর বছর মানুষের অভিনন্দন - এটা বিয়ের পক্ষে একটা যুক্তি হতে পারে। ডারউইন নাকি বিয়ে করার আগে একটা লিস্ট করেন বিয়ের পক্ষের ও বিপক্ষের যুক্তি দিয়ে। সেখানে বিয়ের বিপক্ষে যুক্তি পক্ষের যুক্তির চেয়ে কয়েকগুণ বেশি হয়। তারপরেও তিনি বিয়ের পক্ষে মত দেন। তখন ফেসবুক থাকলে পক্ষে আরেকটা যুক্তি বাড়ত।
একটা জিনিস খেয়াল করলাম। গুলিয়ার সাথে ছবি দিলেই তাতে লাইকের সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেড়ে যায়। আর বিয়ে উপলক্ষ্যে হলে তো দুকূল ছাপিয়ে যায়। তাই ভাবছি ছাত্রজীবনের মত এখন প্রতি সপ্তাহে বিবাহ বার্ষিকীর ছবি দেব কি না? তাতে বয়সটা কমবে আর ফাও ফাও অনেক লাইক পাওয়া যাবে। তবে উল্টোটার সম্ভাবনাও এড়িয়ে দেয়া যায় না।
ও হ্যাঁ, গতকাল যারা সাথে ছিলেন তাদের সবাইকে এক বুক ভালোবাসা। আমি ছোট্ট মানুষ। বুকটাও ছোট। তাই পরে এলে নাও পেতে পারেন। আগে আসুন আগে নিন।আবারো ভালোবাসা।
দুবনা, ০৫ নভেম্বর ২০২৫

Comments
Post a Comment