সেভার দুবনা আসা
গত ১২ আগস্ট মঙ্গলবার সেভা এসেছিল দুবনা। কয়েক ঘণ্টার জন্য। বলেছিলাম আগের রাতে আসতে। রাজী হয়নি। তাতে অবশ্য ভালোই হয়েছে। ওর ঘর এখন আমাদের জিনিস পত্র দিয়ে ভর্তি।
১০ টায় ট্রেন থেকে নামল। বলল হেঁটে আসবে। আমি গেলাম এগিয়ে আনতে। পথে দোকান থেকে নোনা মাছ, রুটি আর কিছু হাবিজাবি কিনলাম। মাংসটা সকালেই বসিয়েছিলাম। তবে কিছুতেই ওর মন গলছিল না। তাই মাছ দিয়ে স্যান্ডউইচ খেয়ে ওকে নিয়ে গেলাম বাড়ির পাশে ডেন্টাল ক্লিনিকে।
যে সমস্যার আশঙ্কা করছিলাম সেটা না। তবে খেতে পারবে ঘন্টা দুই পরে। আমরা বেরুলাম হাঁটতে। গুলিয়ার রেডি হতে আরও মিনিট কুড়ি। তাই আমরা উল্টো দিকে হাঁটতে শুরু করলাম যাতে ও আমাদের ধরতে পারে। ভোলগার তীর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে গেলাম সেভার ছোটবেলার বিভিন্ন প্রিয় জায়গয়। অবশ্য সবই খুব বদলে গেছে। এটা ওকে খুব ব্যথিত করছিল। আসলে আজকাল সবকিছু এত দ্রুত বদলে যায় যে ছোটবেলার তো দূরের কথা কয়েক মাস আগের পরিচিত রাস্তাঘাট অপরিচিত মনে হয়। রাশিয়ায়, বিশেষ করে মস্কোয় এটা খুব চোখে পড়ে।
আমার ইচ্ছে ছিল সেভা যদি না থাকে তাহলে অন্তত রাত ৯.৪৫ এর ট্রেনে মস্কো ফিরুক। কিন্তু ও বলল বিকেল পাঁচটার ট্রেনে ফিরবে। বাসায় ফিরে আইসক্রিম, ফল ইত্যাদি খেয়ে বলল মাংস খাবে না। কী আর করা। আমি ওর আর ক্রিস্টিনার জন্য মাংস একটি কন্টেইনারে করে ধরিয়ে দিলাম আর সাথে আগের দিনের কেনা মাশরুম। ওকে কিছুটা পথে এগিয়ে দিয়ে বাসায় ফিরছিলাম। মনে হল কি যেন একটি করা হয়নি। হ্যাঁ, অফিসে যাওয়া হয়নি যদিও আমার ছুটি চলছে। মজার ব্যাপার হল ছোটবেলায় আমিও কোথাও গেলে বাড়ি ফেরার জন্য হৈচৈ শুরু করতাম। তাই কেউ আমাকে নিয়ে কোথাও যেতে চাইত না।
দুবনা, ১৮ আগস্ট ২০২৫
১০ টায় ট্রেন থেকে নামল। বলল হেঁটে আসবে। আমি গেলাম এগিয়ে আনতে। পথে দোকান থেকে নোনা মাছ, রুটি আর কিছু হাবিজাবি কিনলাম। মাংসটা সকালেই বসিয়েছিলাম। তবে কিছুতেই ওর মন গলছিল না। তাই মাছ দিয়ে স্যান্ডউইচ খেয়ে ওকে নিয়ে গেলাম বাড়ির পাশে ডেন্টাল ক্লিনিকে।
যে সমস্যার আশঙ্কা করছিলাম সেটা না। তবে খেতে পারবে ঘন্টা দুই পরে। আমরা বেরুলাম হাঁটতে। গুলিয়ার রেডি হতে আরও মিনিট কুড়ি। তাই আমরা উল্টো দিকে হাঁটতে শুরু করলাম যাতে ও আমাদের ধরতে পারে। ভোলগার তীর দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে গেলাম সেভার ছোটবেলার বিভিন্ন প্রিয় জায়গয়। অবশ্য সবই খুব বদলে গেছে। এটা ওকে খুব ব্যথিত করছিল। আসলে আজকাল সবকিছু এত দ্রুত বদলে যায় যে ছোটবেলার তো দূরের কথা কয়েক মাস আগের পরিচিত রাস্তাঘাট অপরিচিত মনে হয়। রাশিয়ায়, বিশেষ করে মস্কোয় এটা খুব চোখে পড়ে।
আমার ইচ্ছে ছিল সেভা যদি না থাকে তাহলে অন্তত রাত ৯.৪৫ এর ট্রেনে মস্কো ফিরুক। কিন্তু ও বলল বিকেল পাঁচটার ট্রেনে ফিরবে। বাসায় ফিরে আইসক্রিম, ফল ইত্যাদি খেয়ে বলল মাংস খাবে না। কী আর করা। আমি ওর আর ক্রিস্টিনার জন্য মাংস একটি কন্টেইনারে করে ধরিয়ে দিলাম আর সাথে আগের দিনের কেনা মাশরুম। ওকে কিছুটা পথে এগিয়ে দিয়ে বাসায় ফিরছিলাম। মনে হল কি যেন একটি করা হয়নি। হ্যাঁ, অফিসে যাওয়া হয়নি যদিও আমার ছুটি চলছে। মজার ব্যাপার হল ছোটবেলায় আমিও কোথাও গেলে বাড়ি ফেরার জন্য হৈচৈ শুরু করতাম। তাই কেউ আমাকে নিয়ে কোথাও যেতে চাইত না।
দুবনা, ১৮ আগস্ট ২০২৫

Comments
Post a Comment