কালো যখন ভালো
সব কিছুর মত আমার সাঁতারও তুলনামূলক ভাবে নাতি দীর্ঘ। আমি আধা ঘন্টায় রান্না করি ৫-৭ মিনিটে খাই। ছবি তুলতে আমার বন্ধুরা যেখানে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায়, আধা ঘন্টা পঁয়তাল্লিশ মিনিট পরেই আমার ক্লান্তি চলে আসে। লেখাপড়া সেটাও অনেকটা তাই। কোন পেপার দেখতে গিয়ে একটানা কিছু সময় পড়ে মাঝে ছবি এডিট করি বা অন্য একটা পেপার দেখি অথবা দুই কলম লিখি। এমনকি গল্পের বই পড়ি এক সাথে অনেকগুলো। জ্যাম এড়াতে বাংলা, রুশ আর ইংরেজি ভাষার। এটা মনে হয় কোন কাজে দীর্ঘ সময় মনস্থির করতে না পারায়। এতে সুবিধা একটাই - কাজ আর অবসর একাকার হয়ে যায়।
যাহোক গতকাল সাঁতার কাটতে গিয়ে দেখি হাউস ফুল। ওরা যতটা না সাঁতার কাটে তারচেয়ে বেশি রৌদ্র স্নান করে। আমি সাধারণত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাক তাড়াই মানে হাড্ডি ঘুড্ডি ওয়েলিং করি। সাধারণত দুই বার জলে নামি। সাঁতার কেটে উঠে রৌদ্রে শরীর শুকাই। চুল আর শর্টস শুকালে গায়ে টিশার্ট চাপিয়ে বাসার দিকে হাঁটি।
গতকাল আলিনা আমাদের সবাইকে কেক খাওয়ালো। উপলক্ষ্য জানি না, বলল সবাই সাঁতার কাটছি তাই। ও ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম করে। সত্তর পেরিয়েও যেভাবে বিভিন্ন আসন করে তা বলার মত নয়। ওর ধারণা আমি এসব মায়ের পেট থেকেই শিখে এসেছি। আমি কথা বাড়াই না। ভাবুক। আমার তাতে সমস্যা কি? গুলিয়া বলে সারা দুবনা আমাকে দেখে হাসে। আমি কিছু মনে করি না। বিনা পরিশ্রমে অন্যদের যদি আনন্দ দেয়া যায় সমস্যা কোথায়? এক কথায় লোকজন আমাকে নিয়ে নিজের নিজের মত করে ভাবে।
সাঁতার শেষে বাসায় ফেরার আগে যখন সবাইকে দাসভিদানিয়া বা বিদায় বলি কেউ কেউ বলে
স্নান হয়ে গেল? এত তাড়াতাড়ি?
আসলে আমি সময়ের কাজ সময়ে করি কি না তাই এখন রোদে পুড়তে হয় না। তোমরা যদি ছোটবেলায় আমার মত শরীরটা ঠিকঠাক রোদ বৃষ্টিতে ভেজাতে তাহলে এখন আর সারাদিন বসে থাকতে হত না।
কিছু কিছু মেয়ে ওখানে সারাদিন রোদে পুড়ে আর আমার সাথে মিলিয়ে দেখে কালও হতে আর কতদূর! আমার শরীরের রঙ নিয়ে কখনই কোন গর্ব বা কষ্ট নেই। তবে মাঝে মধ্যে ওদের আমার রঙ নিয়ে এমন ঈর্ষা করতে দেখলে ভালোই লাগে।
দুবনা, ২৮ জুলাই ২০২৫
যাহোক গতকাল সাঁতার কাটতে গিয়ে দেখি হাউস ফুল। ওরা যতটা না সাঁতার কাটে তারচেয়ে বেশি রৌদ্র স্নান করে। আমি সাধারণত দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কাক তাড়াই মানে হাড্ডি ঘুড্ডি ওয়েলিং করি। সাধারণত দুই বার জলে নামি। সাঁতার কেটে উঠে রৌদ্রে শরীর শুকাই। চুল আর শর্টস শুকালে গায়ে টিশার্ট চাপিয়ে বাসার দিকে হাঁটি।
গতকাল আলিনা আমাদের সবাইকে কেক খাওয়ালো। উপলক্ষ্য জানি না, বলল সবাই সাঁতার কাটছি তাই। ও ইয়োগা বা যোগ ব্যায়াম করে। সত্তর পেরিয়েও যেভাবে বিভিন্ন আসন করে তা বলার মত নয়। ওর ধারণা আমি এসব মায়ের পেট থেকেই শিখে এসেছি। আমি কথা বাড়াই না। ভাবুক। আমার তাতে সমস্যা কি? গুলিয়া বলে সারা দুবনা আমাকে দেখে হাসে। আমি কিছু মনে করি না। বিনা পরিশ্রমে অন্যদের যদি আনন্দ দেয়া যায় সমস্যা কোথায়? এক কথায় লোকজন আমাকে নিয়ে নিজের নিজের মত করে ভাবে।
সাঁতার শেষে বাসায় ফেরার আগে যখন সবাইকে দাসভিদানিয়া বা বিদায় বলি কেউ কেউ বলে
স্নান হয়ে গেল? এত তাড়াতাড়ি?
আসলে আমি সময়ের কাজ সময়ে করি কি না তাই এখন রোদে পুড়তে হয় না। তোমরা যদি ছোটবেলায় আমার মত শরীরটা ঠিকঠাক রোদ বৃষ্টিতে ভেজাতে তাহলে এখন আর সারাদিন বসে থাকতে হত না।
কিছু কিছু মেয়ে ওখানে সারাদিন রোদে পুড়ে আর আমার সাথে মিলিয়ে দেখে কালও হতে আর কতদূর! আমার শরীরের রঙ নিয়ে কখনই কোন গর্ব বা কষ্ট নেই। তবে মাঝে মধ্যে ওদের আমার রঙ নিয়ে এমন ঈর্ষা করতে দেখলে ভালোই লাগে।
দুবনা, ২৮ জুলাই ২০২৫

Comments
Post a Comment