কালো কঙ্কাল
গতকাল দোকানের সামনে হঠাৎ করেই অমরেশের সাথে দেখা। ও ভারতীয় বাঙালি। আমাদের ইনস্টিটিউটে গবেষণারত। মাঝে মধ্যে দেখা হলে সাধারণত হ্যালো বলেই চলে যাই, এবারও গেছিলাম, তবে ভাবলাম একটু কথা বলা যাক।
- আপনাকে কেমন যেন শুকনো মনে হচ্ছে। শরীর ঠিকঠাক তো?
- নিশ্চয়ই ভালো আছে। এই রোদে টোটো করে যখন ঘুরে বেড়াচ্ছে।
- না না, মানে মনে হল একটু রোগা হয়ে গেছেন। অবশ্য শীতের পোশাকে সবাইকে একটু মোটাতাজা লাগে।
- আসলে আমি সব সময় ফুল হাতা সোয়েটার পরি, তাই হাড্ডিসার হাত দুটো কায়দা করে লুকিয়ে রাখতে পারি। এখন মনে হয় হাতের কঙ্কাল দেখে তোমার এমনটা মনে হচ্ছে!
দু'জনেই একটু হাসলাম। বিভিন্ন ব্যাপারে অনেকক্ষণ কথা বললাম। বললাম, ওর স্ত্রী আর মেয়েকে কয়েক দিন আগে মস্কোয় দেখেছি। আমি যেখানে থাকি, মানে স্পোরতিভনায়া মেট্রোর ওখানে, রাস্তার অন্য পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।
বিকেলে দেখা ইউরার সাথে। ফেলো ফটোগ্রাফার।
- অনেক দিন পরে তোমাকে দেখালাম। মনে হয় আরও কালো হয়ে গেছ?
- হ্যাঁ, শরীরটা পাইন দিচ্ছি ভোলগার নেয়ে রোদে ভিজে।
তবে আমার যে আরও কালো হবার স্কোপ আছে এটা জেনে বেশ ভালই লাগল।
দুবনা, ১৪ জুলাই ২০২৫
- আপনাকে কেমন যেন শুকনো মনে হচ্ছে। শরীর ঠিকঠাক তো?
- নিশ্চয়ই ভালো আছে। এই রোদে টোটো করে যখন ঘুরে বেড়াচ্ছে।
- না না, মানে মনে হল একটু রোগা হয়ে গেছেন। অবশ্য শীতের পোশাকে সবাইকে একটু মোটাতাজা লাগে।
- আসলে আমি সব সময় ফুল হাতা সোয়েটার পরি, তাই হাড্ডিসার হাত দুটো কায়দা করে লুকিয়ে রাখতে পারি। এখন মনে হয় হাতের কঙ্কাল দেখে তোমার এমনটা মনে হচ্ছে!
দু'জনেই একটু হাসলাম। বিভিন্ন ব্যাপারে অনেকক্ষণ কথা বললাম। বললাম, ওর স্ত্রী আর মেয়েকে কয়েক দিন আগে মস্কোয় দেখেছি। আমি যেখানে থাকি, মানে স্পোরতিভনায়া মেট্রোর ওখানে, রাস্তার অন্য পাশ দিয়ে যাচ্ছিল।
বিকেলে দেখা ইউরার সাথে। ফেলো ফটোগ্রাফার।
- অনেক দিন পরে তোমাকে দেখালাম। মনে হয় আরও কালো হয়ে গেছ?
- হ্যাঁ, শরীরটা পাইন দিচ্ছি ভোলগার নেয়ে রোদে ভিজে।
তবে আমার যে আরও কালো হবার স্কোপ আছে এটা জেনে বেশ ভালই লাগল।
দুবনা, ১৪ জুলাই ২০২৫


Comments
Post a Comment