সেভা

গত রোববার মস্কো আসার পথে সেভা ফোন করল
- পাপা তুমি কখন বাড়ি পৌঁছুবে?
- চারটের সময়।
- ঘুরতে যাব।
- ঠিক আছে।
বাড়ি পৌঁছে দেখি সেভা অপেক্ষা করছে। 
- কখন যাব?
- একটু চা টা খাই। তারপর চল।
- আজ আকাশ পরিষ্কার। সূর্যাস্ত মনে হয় সুন্দর হবে।
- কোথায় যাবি?
- চল নদীর ধারে যাই।
- ঠিক আছে। এর আগে একটু নভোদেভিচি মনাস্তিরে যাব কয়েকটা ছবি নিতে।
পাঁচটার পর পর বেরুলাম দুজন। এর আগে মনিকার তৈরি কেক খেলাম। ওদিকে মনাস্তিরের ভেতরে ঢুকতে গেলে সেভা বলল
- আমি ভাবলাম লেকের ওদিকে যাব।
- যাব তো। তবে তার আগে ভেতরের কিছু ছবি তুলে নেই।
- চল। আমিও অনেক দিন ভেতরে যাইনি।
এরপর শুরু হল ছবি তোলা। মাঝে তাপমাত্রা ১০ এর উপরে থাকলেও আজ মাত্র দুই। সেভাকে বলেছিলাম গরম পোশাক পরতে। এখন বলল
- তুমি ছবি তুললে আমাকে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। ঠান্ডায় জমে যাচ্ছি। 
কী আর করা। আমিও শীতের জুতা রেখে এসেছি। তাই বাসার দিকে হাঁটতে শুরু করলাম। পথে কয়েকটি সেলফি নিলাম।
- তোর চুলগুলো এখন পুশকিনের মত।
- না। আমার চুল বড় হলে কোঁকড়া হয়। পুশকিনের সবসময়।
- তাই হয়তো হবে। ছোটবেলায় তোর চুল বড় হলে এমনি কোঁকড়ানো হত। 
এরপর দোকান হয়ে বাসায় ফিরলাম। 
আজ আমি মনিকাকে নিয়ে গেলাম মস্কো স্টেট ইউনিভার্সিটির বোটানিক্যাল গার্ডেন আপতেকারস্কি সাদে। সেভাকে বললাম যেতে।
- না, তোমরা ছবি তুলবে। আমার বোর লাগবে। বরং তুমি মনিকার সাথে ঘুরে আস। এরপর হাঁটতে যাব।

দুবনার পথে, ১৮ মার্চ ২০২৫

Comments

Popular Posts