যুদ্ধ ও শান্তি
গতকাল রাতে ইউক্রেন রাশিয়ার বিভিন্ন স্থানে ড্রোন আক্রমণ করল। ইউক্রেন এখন যুদ্ধ ক্ষেত্রে কোণঠাসা। তাই আক্রমণের লক্ষ্য সিভিলিয়ান স্থাপনা। সুপার মার্কেট, পেট্রোল পাম্প এসব জায়গায় বেশ কিছু মানুষ মারা গেছে। গতরাতে মস্কো এলাকায় ৯০ টির মত ড্রোন রাশিয়া নামিয়েছে, সারা দেশে তিন শতাধিক। এটা মনে হয় ট্রাম্পের যুদ্ধ বন্ধের প্রচেষ্টা ভেস্তে দেবার পাঁয়তারা।
একটা জিনিস খেয়াল করলাম। ইউক্রেন প্রায় সব সময়ই আবাসিক এলাকা ও দোকানপাট আক্রমণ করে। কারণ মনে হয় সেখানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ততটা জোরদার নয় তাই ঝিকে মেরে বউকে বোঝায়। আবার যেহেতু মূলত আক্রমণের শিকার উঁচু বিন্ডিং বা স্কাইস্ক্র্যাপার তাই মনে হয় ওরা নাইন ইলেভেনের কথা মাথায় রেখে বা ওখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এভাবে আক্রমণ করছে। আচ্ছা, সেটাই যদি হয় আমেরিকা এ বিষয়ে কী ভাবে সেটা জানতে ইচ্ছে করে।
ভোরে যখন রামেনস্কে আক্রমণের খবর দেখালাম আর দেখালাম সেটা হয়েছে একটা স্কাইস্ক্র্যাপারে গুলিয়া বলল
ওখানেই আছিয়া থাকে।
আছিয়া - আমাদের বাসায় জন্ম নেয়া কুকুর। গুলিয়া ওখানে একজনের কাছে ওকে বিক্রি করেছিল অনেক আগে। এই যে এত লোকের ক্ষতি হল তা নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। কুকুর কেমন আছে সেই নিয়ে ভাবনা।
ফোন কর বা মেসাজ পাঠাও।
করছি।
আগে ওরা কেমন আছে সেটা জিজ্ঞেস করে নিও।
এর মধ্যে ওরা মেসেজ আদানপ্রদান করা শুরু করল। আছিয়ার গৃহিণী জানালো যে তাদের বাড়িতে ড্রোন আক্রমণ হয়নি, হয়েছে পাশের বাড়িতে। নীচে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে। আরও লিখেছে "ভোর চারটার দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভাঙল। প্রথমেই ভাসিয়াকে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরলাম।"
আমাদের বাসায় যার নাম ছিল আছিয়া, ওরা সেটাকে ভাসিয়া রেখেছে। গুলিয়া আমাকে বুঝিয়ে বলল।
আসলে প্রত্যেকের নিজের নিজের যুদ্ধ, নিজের নিজের শান্তি। পৃথিবী বৈচিত্র্যময়। বিচিত্রেই সৌন্দর্য।
দুবনা, ১২ মার্চ ২০২৫
একটা জিনিস খেয়াল করলাম। ইউক্রেন প্রায় সব সময়ই আবাসিক এলাকা ও দোকানপাট আক্রমণ করে। কারণ মনে হয় সেখানে প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ততটা জোরদার নয় তাই ঝিকে মেরে বউকে বোঝায়। আবার যেহেতু মূলত আক্রমণের শিকার উঁচু বিন্ডিং বা স্কাইস্ক্র্যাপার তাই মনে হয় ওরা নাইন ইলেভেনের কথা মাথায় রেখে বা ওখান থেকে শিক্ষা নিয়ে এভাবে আক্রমণ করছে। আচ্ছা, সেটাই যদি হয় আমেরিকা এ বিষয়ে কী ভাবে সেটা জানতে ইচ্ছে করে।
ভোরে যখন রামেনস্কে আক্রমণের খবর দেখালাম আর দেখালাম সেটা হয়েছে একটা স্কাইস্ক্র্যাপারে গুলিয়া বলল
ওখানেই আছিয়া থাকে।
আছিয়া - আমাদের বাসায় জন্ম নেয়া কুকুর। গুলিয়া ওখানে একজনের কাছে ওকে বিক্রি করেছিল অনেক আগে। এই যে এত লোকের ক্ষতি হল তা নিয়ে মাথা ব্যথা নেই। কুকুর কেমন আছে সেই নিয়ে ভাবনা।
ফোন কর বা মেসাজ পাঠাও।
করছি।
আগে ওরা কেমন আছে সেটা জিজ্ঞেস করে নিও।
এর মধ্যে ওরা মেসেজ আদানপ্রদান করা শুরু করল। আছিয়ার গৃহিণী জানালো যে তাদের বাড়িতে ড্রোন আক্রমণ হয়নি, হয়েছে পাশের বাড়িতে। নীচে ড্রোনের ধ্বংসাবশেষ পড়ে আছে। আরও লিখেছে "ভোর চারটার দিকে বিকট শব্দে ঘুম ভাঙল। প্রথমেই ভাসিয়াকে কোলে নিয়ে জড়িয়ে ধরলাম।"
আমাদের বাসায় যার নাম ছিল আছিয়া, ওরা সেটাকে ভাসিয়া রেখেছে। গুলিয়া আমাকে বুঝিয়ে বলল।
আসলে প্রত্যেকের নিজের নিজের যুদ্ধ, নিজের নিজের শান্তি। পৃথিবী বৈচিত্র্যময়। বিচিত্রেই সৌন্দর্য।
দুবনা, ১২ মার্চ ২০২৫


Comments
Post a Comment