আমরা
ভাবছিলাম একেক জনের সাথে আলাদা আলাদা করে কীভাবে ঘুরতে যাব। মনিকা সমাধান দিল।
পাপ, তুমি মুরগিটা মশলা মাখিয়ে ফ্রিজে ঢুকিয়ে দাও। চল পিজা হাট যাই।
খুব ভালো। তবে বেটার মুমুতে যাওয়া। ওখানে রাতের খাবার খেয়ে নেব। দেখ ক্রিস্টিনা আর সেভা রাজি কিনা।
অথবা ব্রুসনিকি যেতে পারি। ওখানেও খাবার ভালো।
শেষ পর্যন্ত সবাই মিলে গেলাম মুমু। বাসা থেকে দশ মিনিটের হাঁটা পথ। ফ্রুঞ্জেনস্কায়ায়। অনেক দিন পরে। এর আগে বেশ কয়েকবার বলেছি। রাজি হয়নি।
খাবার আহামরি কিছু নয়। মনিকা তো বলেই ফেলল ওর বন্ধু মিশা এর চেয়ে ভালো রান্না করে। আসলেই তাই। সেভাও খুব যে খুশি তা নয়।
এর চেয়ে ঘরে রান্না করলেই ভালো হত। এই ওয়েদারে বাইরে এসে দশগুণ বেশি খরচ করার মানে হয়?
দেখ, ঘরে রান্না করলে করত মনিকা বা আমি। তুই খাবার নিয়ে রুমে গিয়ে কম্পিউটারে হুমড়ি খেয়ে বসতি। এই যে আমরা ঘন্টা দুয়েক আড্ডা দিলাম, ছোটবেলার স্মৃতিচারণ করলাম সেটা কি ঘরে হত?
ফ্রুঞ্জেনস্কায়া থেকে হাঁটতে হাঁটতে বাসায় ফিরছি, মুষলধারে বরফ পড়ছে। ইচ্ছে ছিল রেড স্কয়ার আর নিকোলস্কায়া উলিৎসায় কিছু ছবি তোলার। ক্যামেরা নিয়ে এসেছি সে জন্য। কিন্তু কেউ রাজি হল না। তাই মস্কো আসা ষোল কলায় পূর্ণ হয়েছে বলা ঠিক হবে না।
তবে যেটুকু পেলাম সেটাই বা কম কিসে।
মস্কো, ০৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩
Comments
Post a Comment