ঘরে ফেরা

ক্রিস্টিনা আসবে বলে অপেক্ষা করলাম। ও এল। ও না থাকলে ঘরটা আমার দখলে। ও গেল মনিকার ওখানে। গুলিয়া জানতে চাইল
ক্রিস্টিনা এসেছে? 
আমি তো ওর অপেক্ষাই করছি। এসেই গেল মনিকার সাথে গল্প করতে।
সবসময়ই তাই। 
ঠিক আছে। গল্প করুক। আমার তাড়া নেই। 

আসলে ওরা একে অন্যকে খুব মিস করে। নিজেদের বলে কি না জানি না, তবে আমার সাথে কথা বলার সময় ওরা একে অপরের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেই জানায়।

এরপর ক্রিস্টিনা ওর ট্রেণ জার্নির মজার গল্প শোনালো। সেকথা পরে। গত রাতে রান্না করেছে মনিকা আর সেভা, তবে কেউই খায়নি। ক্রিস্টিনা খেয়ে আমাকে খেতে দিল। এরপর গেল মনিকার ওখানে। কিছুক্ষণ পরে দেখি মনিকা, ক্রিস্টিনা আর সেভা চুটিয়ে আড্ডা দিচ্ছে। 

আড্ডা শেষে সেভা সালাদ করল। আমাকে যেতে হবে তাই স্যুপ আর সালাদ খেলাম। ওদিকে মনিকা ডাকছে। ওরা এখন সেভার ঘরে। তিনজন গল্প করছে আর বিড়ালগুলো আলমারির উপর বসে শুনছে। 

আমার মনে পড়ল নিজের ছোটবেলার কথা। তপন দা যখন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের হোস্টেল থেকে বাড়ি আসত আমরা এভাবেই বসতাম ওর গল্প শুনতে।

দুবনার পথে, ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩

Comments

Popular Posts