ডাক্তারি

অনেক দিন পরে আজ একটু ডাক্তারি করলাম। কোয়ান্টাম মেকানিক্সের টেস্ট ছিল। ওখানে ভ্যারিয়েশনাল মেথড বলে একটা বিষয় আছে যেখানে ট্রায়াল ফাংশন ব্যবহার করতে হয়। ছাত্রী যখন এই ফাংশনের কথা বলল, জিজ্ঞেস করলাম কিসের উপর ভিত্তি করে এই ফাংশন বাছাই করতে হয়। হাজারটা কথা বলছে কিন্তু আসল কথা কিছুতেই পেট থেকে বেরুচ্ছে না। কি করা? বললাম 
- ধর তুমি অসুস্থ। ডাক্তার দেখাতে গেলে। ডাক্তার তোমার কথা শুনলেন। টেম্পারেচার, প্রেশার, অক্সিজেন স্যাচুরেশন এসব দেখলেন। কেন?
- ওষুধ দিতে।
- ওষুধ তো এমনিতেই দিতে পারতেন। উনি সিম্পটম অনুযায়ী সঠিক ওষুধ বাছার চেষ্টা করছিলেন। 
- ও হ্যাঁ। বুঝলাম।
- যদি বোঝ তাহলে বল ট্রায়াল ফাংশন ঠিক কি ধরণের হবে তার সিম্পটম কি? আমিও কিন্তু তোমাকে কত নম্বর দেব তার সিম্পটম খুঁজছি। 
- এসিম্পটোটিক, ইনিশিয়াল, বাউন্ডারি কন্ডিশন এসব।‌
- যাও। রেস্ট নাও। 

আমি নম্বর নোট করি বাংলায়। তাই ওরা বোঝে না। তবে নম্বর যাই হোক আমার হাত থেকে ছাড়া পেয়ে সবাই যারপরনাই খুশি হয়। ভাগ্য খারাপ হলে আমি ওদের আবার প্রস্তুতি নিতে বলে আধা ঘন্টা বসিয়ে রাখি।

দুবনার পথে, ১২ অক্টোবর ২০২৬

Comments

Popular Posts