তুষারপাত
ঝড় বৃষ্টি হোক আর করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ুক হাঁটাহাঁটি না করলে কেমন যেন অস্বস্তি বোধ করি। গতকাল অনেক দিন পরে এরকম একটি দিন কাটলো ঘরে বসে। গতকাল যে প্রচন্ড বরফপাত হবে সেটা আগে থেকেই জানা ছিল। সকালে ঘুম ভাঙতেই গুলিয়া বলল বরফে সব ঢেকে গেছে। তারপর কবুতর আর চড়ুই পাখিদের জন্য খাবার নিয়ে বাইরে গেল। নিয়মিত না হলেও শীতের সময় চেষ্টা করি সপ্তাহে দুই তিন দিন ওদের খাবার দিতে। ওটা অবশ্য গুলিয়াই করে। আমি সুযোগ পেলে ওদের দুই একটা ছবি তুলি। কে জানে বাঙালি বলে কিনা। দেশে তো দুই মুঠো চাল দিয়ে শত শত ছবি তুলে ফেসবুকে না দিলে জীবন বরবাদ হয়ে যায়।
- বাইরে প্রচন্ড বরফ পড়ছে। চল দোকানে যাই।
- আগে চল বনে ঘুরে আসি। ফেরার পথে দোকানে ঢু মারব।
- এই আবহাওয়ায় কেউ বাইরে যায়?
- যাবে না কেন? এই বাতাস আর তুষার ঝড়ে ভোলগার তীরে সমস্যা। বনে বাতাসের দাপট নেই। বরফ পড়ছে ইলশেগুঁড়ি বৃষ্টির মত।
শেষ পর্যন্ত আর বনে যাওয়া হল না। দোকানে গেলাম রেড ফিস কিনতে। এরপর ক্লাবে। এক্সিবিশন সামনে। ছবিগুলো ফ্রেমে ভরতে হবে। অনেক দিন পরে এত বরফ পড়তে দেখলাম।
দুবনা, ১০ জানুয়ারি ২০২৬

Comments
Post a Comment