আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে

অনেক দিন পরে মস্কো গেলাম। ক্লাস, পরীক্ষা সব শেষ হয়ে গেছে জুনের শুরুতে। মাঝে এত গরম ছিল যে ওরাই বলল দরকার নেই এখন আসার। আমিও মনের আনন্দে ভোলগায় সাঁতার কেটে সময় কাটালাম। গত শনি ও রবিবার তাপমাত্রা ২০ মত হলে চলে যাই। আজকাল সবাইকে একসাথে পাওয়া হাতে চাঁদ পাওয়ার থেকেও দুঃসাধ্য ব্যাপার। শনিবার যখন বাসায় পৌছুলাম মনিকা আর ক্রিস্টিনা বাসায় ছিল না। সেই সুযোগে আমি সমীরের সাথে দেখা করে এলাম। অনেক দিন পরে ক্রেমলিনের চারপাশের ঘুরলাম। দুবনা থেকে আসার পথে সমীর ফোন করেছিল, দুদিন আগে মস্কো এসেছে। আজকাল কারো সাথে দেখা করা একেবারেই হয়ে ওঠে না। তবে ওরা বাইরে থাকায় সেভা বলল, আমি চাইলে সমীরের সাথে দেখা করে আসতে পারি। সন্ধ্যায় ও আমার সাথে ঘুরতে বেরুবে। আমি বাসায় ফেরার পর দেখি মনিকা, ক্রিস্টিনা, মিশা ওরা সাইকেল রেসিং-এ যাচ্ছে। শুরু রাত দশটায়, শেষ ১২ টা নাগাদ। ওরা বেরুলো সাইকেল নিয়ে, আমি আর সেভা পায়ে হেঁটে - এমনিতে হাঁটব আর পরে দোকানে যাব রাতের খাবার কিনতে। আলো প্রায় নেই বললেই চলে, যা আছে সেটাও ফ্ল্যাট আলো। তবুও ওদের রাজী করিয়ে কয়েকটি ছবি নেয়া।

দুবনা, ০৮ জুলাই ২০২৪

মনিকা, ক্রিস্টিনা আর সেভা - আমাদের বাসার সামনে।
মস্কো, ০৬ জুলাই ২০২৪

Comments

Popular Posts