শীতল
নভেম্বরের এক তারিখ থেকে আমাদের নতুন গেট চালু হয়েছে। এখন অফিসে যেতে বেশ কিছু বাঁধা পাড় হতে হয়। আর সব হয় অটোম্যাটিক্যালি। জানি না ঠিক কি জন্যে, তবে এসব সিস্টেম মানেই কে কখন আসে আর কে কখন যায় তার হিসেব রাখা। আমরা যারা থিওরি নিয়ে কাজ করি অফিসে আসি যখন খুশি, চলেও যাই একই ভাবে। আর দিনে ২৪ ঘণ্টা ইনস্টিটিউট খোলা থাকায় কোন সমস্যা হয় না। তারপরেও এসব গেট যেহেতু করল, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোন মতলব আছে। আগে আমাদের মেটালিক জিনিসপত্র রেখে একটা ব্যারিয়ার পাড় হতে হত। তারপর কার্ড দেখালে এক লোক গেট খুলে দিত। এখন যেটা হয় তা হল কার্ড দেখালে অটম্যাটিক্যালি ভেরিফিকেশন হয়। তখন আপনা থেকেই গেট খুলে যায়। এরপর মেটাল ডিটেক্টর। সেখানে আঙ্গুল দিয়ে চাপলে সবুজ বাতি জ্বলে। এখানে চাবি, ফোন এসব সরিয়ে রাখতে হয়। এরপর আরেকটা গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়াতে হয়। ওখানে আবার আগের দুই ডাটা মিলিয়ে গেট খুলে। কার্ড দেখিয়ে প্রথম ব্যারিয়ার পাড় হতে কোন অসুবিধা হয়নি। তবে আজ পর্যন্ত একদিনও আমি দ্বিতীয় ব্যারিয়ার পাড় হতে পারিনি। অন্যরা সাহায্য করেছে। শুনেছি ওটা নাকি সাথে বিস্ফোরক আছে কিনা সেটা টেস্ট করে। সাধারণত দায়িত্বরত কেউ নিজেরা চেপে খুলে দেয়। আজও সেটা করল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, আজ চারদিন হল সিস্টেম কাজ করছে, একদিনও নিজে ঢুকতে পারলাম না। কী ব্যাপার?
আপনার হাত কি ঠাণ্ডা?
বার মাস। হ্যান্ডশেক করে অনেকেই বলে লাশকাটা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছি।
কাল হাত ঘষে গরম করবেন। হয়তো কাজ দেবে।
কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। করোনা কালেও আমার সমস্যা হত। তখন তো টেম্পারেচার দেখে সব জায়গায় ঢুকাত। আমি আটকে যেতাম। তাপমাত্রা সাধারণত ৩৪ - ৩৫ হওয়ায় ডিটেক্ট করতে পারত না। সরীসৃপ হবার এই এক ঝামেলা।
দুবনা, ০৭ নভেম্বর ২০২৩
আপনার হাত কি ঠাণ্ডা?
বার মাস। হ্যান্ডশেক করে অনেকেই বলে লাশকাটা ঘর থেকে বেরিয়ে এসেছি।
কাল হাত ঘষে গরম করবেন। হয়তো কাজ দেবে।
কাল পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। করোনা কালেও আমার সমস্যা হত। তখন তো টেম্পারেচার দেখে সব জায়গায় ঢুকাত। আমি আটকে যেতাম। তাপমাত্রা সাধারণত ৩৪ - ৩৫ হওয়ায় ডিটেক্ট করতে পারত না। সরীসৃপ হবার এই এক ঝামেলা।
দুবনা, ০৭ নভেম্বর ২০২৩


Comments
Post a Comment