এক ব্যস্ত দিনের গল্প
গতকাল সারাদিন গেল দৌড়ের উপর। বৃহস্পতিবার যখন মস্কো পৌঁছি সেটা ইতিমধ্যে শুক্রবার হয়ে গেছে। সেভা, মনিকা ঘুমিয়ে পড়েছে। সকালে ঘুম থেকে উঠে ওদের সাথে কথা বলার সুযোগ হয়নি। চলে গেছি ছাত্রদের ডিফেন্সে। ওখান থেকে সোজা মিকলুখো মাকলায়া চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর ডকুমেন্ট সিগনেচার করতে। ইচ্ছে ছিল দুই নম্বর ব্লকের নীচে ইন্ডিয়ান দোকানে ঢু মারব। এরমধ্যে একটি বাস চলে এলো। পরে বুঝলাম ভুল বাস। একটি মেয়ে জিজ্ঞেস করল
আপনি কোথায় যাবেন?
মেট্রো ইউগো-জাপাদনায়া।
এটা ওদিকে যাবে না। তবে মেট্রো ট্রপারেভা যাবে।
আচ্ছা। আমার ওটাতেও সমস্যা নেই।
মেট্রো থেকে সেভাকে ফোন করলাম যেন লেনতায় আসে যদি কিছু কেনার থাকে। কিছু ফল, মাংস, রুটি ইত্যাদি কিনে বাসায় ফিরলাম।
একটু রেস্ট নিয়ে গেলাম ভেদেনখা এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। পথে অবশ্য রেড স্কয়ারে নামলাম। ওখানে বই মেলা হচ্ছে। ০৬ থেকে ০৯ জুন পর্যন্ত এই মেলা পুরো রেড স্কয়ার জুড়ে। তবে শুধু বই নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেখকদের সাথে সাক্ষাৎ - এক কথায় বিশাল আনন্দ মেলা। এবার দশম মেলা। সব দেখে মনে হয় পুশকিনের জন্মদিনকে কেন্দ্র করেই এই মেলার আয়োজন। রেড স্কয়ারে বই মেলা আর পাশেই বৃক্ষ মেলা দেখে গেলাম ভেদেনখা এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। গল্প করছি। সেভার ফোন
পাপা তুমি কোথায়?
ভেদেনখায়। কেন?
তুমি কি বাসায় আসবে নাকি ওখান থেকেই দুবনা চলে যাবে?
আসব।
এরপর মনিকার মেসেজ - পাপা তুমি কোথায়?
ছেলেমেয়েরা আমাকে হারিয়ে ফেললে ভালোই লাগে। মেট্রো করে বাসায় ফিরছি। ক্রিস্টিনার ফোন
পাপা তোমার সাহায্য দরকার।
ওর গলার স্বরে ভীতি। তবে ও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে কথা বলে তাই ততটা গুরুত্ব দিলাম না।
বল।
আমি বাসায় আগুন লাগিয়েছি। এখন কী করব?
নেভাতে হবে।
কিন্তু কীভাবে?
কি হয়েছে বল।
আমি চায়ের জন্য কেটলিতে জল বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। জেগে দেখি আগুন লেগে গেছে কেটলিতে। আমি গ্যাস অফ করেছি।
তাহলে ধীরে ধীরে জল ঢেলে কেটলির আগুন নেভা। দেখিস আগুনের স্ফুলিঙ্গ যেন অন্য কোথাও না পড়ে।
তুমি শিওর যে জল দিতে হবে? কিছু দিন আগে একসাথে অনেকগুলো মোমবাতি জ্বালাতে গিয়ে ভাতের হাঁড়িতে আগুন লাগিয়েছিলাম। মিশা জল ঢাললে আগুন আরও বেশি করে জ্বলে উঠেছিল।
ওটা মোম ছিল তাই। ধীরে ধীরে জল ঢাল।
আগুন নেভার শব্দ শুনলাম।
নিভে গেছে। কিন্তু আগুন লাগল কীভাবে?
জল শুকিয়ে গেছে। তাই কেটলি তেতে উঠেছে। ফলে হাতল আর ঢাকনিতে যে প্লাস্টিক ছিল তাতে আগুন লেগেছিল।
আলো জ্বালাব এখন।
আগে জানালা খোলা। তারপর দরোজা। গুমোট ভাবটা কেটে গেল বাইরে থেকে হেঁটে আয়।
কেটলি? ওটা আমার নয়। একেবারে নতুন।
বুকিং দে।
মেট্রো থেকে বেড়িয়ে মনে হল আমি প্রতিদিন খাবার পুড়াই। ও না হয় কেটলি পুড়িয়েছে। যাকে বলে বাপ কা বেটি।
বাসায় ফিরতেই মনিকা জিজ্ঞেস করল স্টেইক খাব কিনা। রক্ত সহ ভাজা মাংস। খেতে খেতে মনিকা আর সেভাকে বললাম ক্রিস্টিনার এডভেঞ্চার। শুনে মনিকা বলল
দেখতে হবে না কার মেয়ে? তুমি প্রতিবার এসে আমার হাঁড়ি পাতিল পুড়িয়ে যাও।
ওতে খাবার সুস্বাদু হয়।
ওদের সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে দুবনার দিকে পা বাড়ালাম। আজ একটু আগে বেরুতে হবে। স্টেশনে দেখা করতে হবে রূমানের সাথে। ওর সাথে আলাপ তপনদার মাধ্যমে। ও লিখেছিল এর আগে দেখা করার জন্য। গতকাল ওর মেসেজ পেলাম
আঙ্কেল আম্মু আপনার জন্য কুলের আচার পাঠিয়েছেন। কীভাবে দেব?
আমি আজ মস্কো এসেছি। তুমি তো ঐ দিকেই থাক। যদি রাত সাড়ে নয়টায় স্টেশনে আস আমাকে পাবে। আমার ট্রেন রাত ১০ টায়।
ছোটবেলা থেকেই আচার আমার অত্যন্ত প্রিয়। এখানে আমাদের দেশের মত আচার পাওয়া যায় না। কখনো কখনো নিজে করার চেষ্টা করি। তবে এখানকার ইনগ্রেডিয়েন্ট দেশের মত নয়। যত দিন না দেশে আচার বানিয়ে ব্যর্থ হচ্ছি ততদিন পর্যন্ত এই বিষয়ে নিজেকে বকাঝকা করা অর্থহীন।
যাহোক রূমান ছাড়াও অনেকেই দেশ থেকে আমার জন্য আচার দিয়ে আসে। বলা হয়ে থাকে যিনি জ্ঞানী তিনিই ব্রাহ্মণ। জ্ঞানী কিনা সেটা জানি না, তবে এই আলুটা, মূলোটা, আচারটা নিয়ে আমি ব্রাহ্মণের মত আচরণ করছি। অবশ্য কিছুদিন আগে আমাদের একটা মিটিংএ বলা হয়েছিল ছাত্রদের কাছ থেকে কোন কিছু নেয়া ঘুষের সমতূল্য। আমার প্রায়ই দেশ থেকে কিছু কিছু ওষুধ, আচার এসব আনাতে হয়। বেশিরভাগ বাড়ি থেকে কিনে দেয়, কখনো টুকিটাকি জিনিস ছাত্ররা নিয়ে আসে। টাকা দিতে চাইলেও নেয় না। এই মিটিং এর পর থেকে ভয়ে থাকি কখন আবার ঘুষ খাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করে। আচার ঘুষ হলে ওটা খুবই সুস্বাদু ঘুষ।
রূমান আমার সাথে গেল দোলগাপ্রুদনি। ওকে জিজ্ঞেস করে জানলাম ওর বোন অসুস্থ হয়ে যখন সিআরপিতে ছিল তখন তপনদার সাথে ওদের পরিবারের আলাপ। জীবন সত্যিই বিস্ময়কর। কীভাবে কার সাথে পরিচয় হয়!
ভেদেনখায় বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকজন যেভাবেই হোক দেশ থেকে বেরুনোই সমস্ত সমস্যার সমাধান মনে করে। বাইরে এরা যে ধরণের কাজ করে সেটা যদি দেশে করত তাহলে সেখানেই ভালো থাকতে পারত। কে জানে, দেশে কাজের শ্রেণী বৈষম্যের কারণেই মনে হয় লোকজন সহজে সব কাজ করতে পারে না, করতে চায় না। আবার এমনও হতে পারে যে দেশে কেউ সৎ ভাবে বাঁচতে পারে না। না চাইলেও সবাই হয় ঘুষ খেতে হয় নয়তো ঘুষ দিতে হয়, হয় নিজেকে অন্যায় করতে হয় নয়তো অন্যের অন্যায় মুখ বন্ধ করে সহ্য করতে হয়। চাঁদাবাজি শুনেছি এখন মহামারির আঁকার ধারণ করেছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষভাবে হোক পরোক্ষভাবে হোক অন্যায় করতেই হবে। এছাড়া টাকাটাই এখন সবার কাছে সব দেবতার দেবতা, দেবাদিদেব। মানুষ যখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায় তখন তাকে মুক্ত করা খুবই কঠিন। এটা এক নতুন সংস্কৃতি, নতুন ধর্ম।
দুবনায় এসে পৌঁছুতে রাত বারোটা পেরিয়ে গেছে। বাসায় যখন ঢুকলাম ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল একটা। পেছনে ব্যস্ত দিনের বিশাল অভিজ্ঞতা।
দুবনা, ০৮ জুন ২০২৪
আপনি কোথায় যাবেন?
মেট্রো ইউগো-জাপাদনায়া।
এটা ওদিকে যাবে না। তবে মেট্রো ট্রপারেভা যাবে।
আচ্ছা। আমার ওটাতেও সমস্যা নেই।
মেট্রো থেকে সেভাকে ফোন করলাম যেন লেনতায় আসে যদি কিছু কেনার থাকে। কিছু ফল, মাংস, রুটি ইত্যাদি কিনে বাসায় ফিরলাম।
একটু রেস্ট নিয়ে গেলাম ভেদেনখা এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। পথে অবশ্য রেড স্কয়ারে নামলাম। ওখানে বই মেলা হচ্ছে। ০৬ থেকে ০৯ জুন পর্যন্ত এই মেলা পুরো রেড স্কয়ার জুড়ে। তবে শুধু বই নয়, পাশাপাশি বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, লেখকদের সাথে সাক্ষাৎ - এক কথায় বিশাল আনন্দ মেলা। এবার দশম মেলা। সব দেখে মনে হয় পুশকিনের জন্মদিনকে কেন্দ্র করেই এই মেলার আয়োজন। রেড স্কয়ারে বই মেলা আর পাশেই বৃক্ষ মেলা দেখে গেলাম ভেদেনখা এক বন্ধুর সাথে দেখা করতে। গল্প করছি। সেভার ফোন
পাপা তুমি কোথায়?
ভেদেনখায়। কেন?
তুমি কি বাসায় আসবে নাকি ওখান থেকেই দুবনা চলে যাবে?
আসব।
এরপর মনিকার মেসেজ - পাপা তুমি কোথায়?
ছেলেমেয়েরা আমাকে হারিয়ে ফেললে ভালোই লাগে। মেট্রো করে বাসায় ফিরছি। ক্রিস্টিনার ফোন
পাপা তোমার সাহায্য দরকার।
ওর গলার স্বরে ভীতি। তবে ও বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে কথা বলে তাই ততটা গুরুত্ব দিলাম না।
বল।
আমি বাসায় আগুন লাগিয়েছি। এখন কী করব?
নেভাতে হবে।
কিন্তু কীভাবে?
কি হয়েছে বল।
আমি চায়ের জন্য কেটলিতে জল বসিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। জেগে দেখি আগুন লেগে গেছে কেটলিতে। আমি গ্যাস অফ করেছি।
তাহলে ধীরে ধীরে জল ঢেলে কেটলির আগুন নেভা। দেখিস আগুনের স্ফুলিঙ্গ যেন অন্য কোথাও না পড়ে।
তুমি শিওর যে জল দিতে হবে? কিছু দিন আগে একসাথে অনেকগুলো মোমবাতি জ্বালাতে গিয়ে ভাতের হাঁড়িতে আগুন লাগিয়েছিলাম। মিশা জল ঢাললে আগুন আরও বেশি করে জ্বলে উঠেছিল।
ওটা মোম ছিল তাই। ধীরে ধীরে জল ঢাল।
আগুন নেভার শব্দ শুনলাম।
নিভে গেছে। কিন্তু আগুন লাগল কীভাবে?
জল শুকিয়ে গেছে। তাই কেটলি তেতে উঠেছে। ফলে হাতল আর ঢাকনিতে যে প্লাস্টিক ছিল তাতে আগুন লেগেছিল।
আলো জ্বালাব এখন।
আগে জানালা খোলা। তারপর দরোজা। গুমোট ভাবটা কেটে গেল বাইরে থেকে হেঁটে আয়।
কেটলি? ওটা আমার নয়। একেবারে নতুন।
বুকিং দে।
মেট্রো থেকে বেড়িয়ে মনে হল আমি প্রতিদিন খাবার পুড়াই। ও না হয় কেটলি পুড়িয়েছে। যাকে বলে বাপ কা বেটি।
বাসায় ফিরতেই মনিকা জিজ্ঞেস করল স্টেইক খাব কিনা। রক্ত সহ ভাজা মাংস। খেতে খেতে মনিকা আর সেভাকে বললাম ক্রিস্টিনার এডভেঞ্চার। শুনে মনিকা বলল
দেখতে হবে না কার মেয়ে? তুমি প্রতিবার এসে আমার হাঁড়ি পাতিল পুড়িয়ে যাও।
ওতে খাবার সুস্বাদু হয়।
ওদের সাথে কিছুক্ষণ সময় কাটিয়ে দুবনার দিকে পা বাড়ালাম। আজ একটু আগে বেরুতে হবে। স্টেশনে দেখা করতে হবে রূমানের সাথে। ওর সাথে আলাপ তপনদার মাধ্যমে। ও লিখেছিল এর আগে দেখা করার জন্য। গতকাল ওর মেসেজ পেলাম
আঙ্কেল আম্মু আপনার জন্য কুলের আচার পাঠিয়েছেন। কীভাবে দেব?
আমি আজ মস্কো এসেছি। তুমি তো ঐ দিকেই থাক। যদি রাত সাড়ে নয়টায় স্টেশনে আস আমাকে পাবে। আমার ট্রেন রাত ১০ টায়।
ছোটবেলা থেকেই আচার আমার অত্যন্ত প্রিয়। এখানে আমাদের দেশের মত আচার পাওয়া যায় না। কখনো কখনো নিজে করার চেষ্টা করি। তবে এখানকার ইনগ্রেডিয়েন্ট দেশের মত নয়। যত দিন না দেশে আচার বানিয়ে ব্যর্থ হচ্ছি ততদিন পর্যন্ত এই বিষয়ে নিজেকে বকাঝকা করা অর্থহীন।
যাহোক রূমান ছাড়াও অনেকেই দেশ থেকে আমার জন্য আচার দিয়ে আসে। বলা হয়ে থাকে যিনি জ্ঞানী তিনিই ব্রাহ্মণ। জ্ঞানী কিনা সেটা জানি না, তবে এই আলুটা, মূলোটা, আচারটা নিয়ে আমি ব্রাহ্মণের মত আচরণ করছি। অবশ্য কিছুদিন আগে আমাদের একটা মিটিংএ বলা হয়েছিল ছাত্রদের কাছ থেকে কোন কিছু নেয়া ঘুষের সমতূল্য। আমার প্রায়ই দেশ থেকে কিছু কিছু ওষুধ, আচার এসব আনাতে হয়। বেশিরভাগ বাড়ি থেকে কিনে দেয়, কখনো টুকিটাকি জিনিস ছাত্ররা নিয়ে আসে। টাকা দিতে চাইলেও নেয় না। এই মিটিং এর পর থেকে ভয়ে থাকি কখন আবার ঘুষ খাওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করে। আচার ঘুষ হলে ওটা খুবই সুস্বাদু ঘুষ।
রূমান আমার সাথে গেল দোলগাপ্রুদনি। ওকে জিজ্ঞেস করে জানলাম ওর বোন অসুস্থ হয়ে যখন সিআরপিতে ছিল তখন তপনদার সাথে ওদের পরিবারের আলাপ। জীবন সত্যিই বিস্ময়কর। কীভাবে কার সাথে পরিচয় হয়!
ভেদেনখায় বন্ধুর সাথে কথা বলার সময় বুঝলাম আমাদের দেশের বেশিরভাগ লোকজন যেভাবেই হোক দেশ থেকে বেরুনোই সমস্ত সমস্যার সমাধান মনে করে। বাইরে এরা যে ধরণের কাজ করে সেটা যদি দেশে করত তাহলে সেখানেই ভালো থাকতে পারত। কে জানে, দেশে কাজের শ্রেণী বৈষম্যের কারণেই মনে হয় লোকজন সহজে সব কাজ করতে পারে না, করতে চায় না। আবার এমনও হতে পারে যে দেশে কেউ সৎ ভাবে বাঁচতে পারে না। না চাইলেও সবাই হয় ঘুষ খেতে হয় নয়তো ঘুষ দিতে হয়, হয় নিজেকে অন্যায় করতে হয় নয়তো অন্যের অন্যায় মুখ বন্ধ করে সহ্য করতে হয়। চাঁদাবাজি শুনেছি এখন মহামারির আঁকার ধারণ করেছে। অর্থাৎ প্রত্যক্ষভাবে হোক পরোক্ষভাবে হোক অন্যায় করতেই হবে। এছাড়া টাকাটাই এখন সবার কাছে সব দেবতার দেবতা, দেবাদিদেব। মানুষ যখন টাকার কাছে বিক্রি হয়ে যায় তখন তাকে মুক্ত করা খুবই কঠিন। এটা এক নতুন সংস্কৃতি, নতুন ধর্ম।
দুবনায় এসে পৌঁছুতে রাত বারোটা পেরিয়ে গেছে। বাসায় যখন ঢুকলাম ঘড়ির কাঁটায় তখন সকাল একটা। পেছনে ব্যস্ত দিনের বিশাল অভিজ্ঞতা।
দুবনা, ০৮ জুন ২০২৪


Comments
Post a Comment