বৃষ্টিতে ভিজি
গতকাল অফিসে গিয়ে ভিক্তরকে ফোন করলাম। একটা প্রোগ্রাম কাজ করছিল না। বলল ও এখন নিউট্রিনো ল্যাবে যাবে তাই আসতে পারবে না। তাই আমিই চলে গেলাম ওর অফিসে। আমি আসলে প্রোগ্রামিং বলতে গেলে করতে পারি না। ভিক্তর করে বা দেখিয়ে দেয়। দেখা গেল দু একটা কম্যান্ড যোগ করার দরকার ছিল।
চল নিউট্রিনো ল্যাবে।
কি করব?
ওখানে এক্সেলেটর কাজ করছে। আমি কিছু ক্যালকুলেন করেছি। দেখবে।
চল।
ওখানে গিয়ে দেখি সব লোহালক্করে ভরা। ও দেখালো কিভাবে এক্সেলেটর থেকে প্রোটন এসে বিভিন্ন টিউবের মধ্য দিয়ে শেষে ফিল্মে ধরা পড়ে। ওখানে কর্মরত ভিয়েতনাম ও কিউবার লোকদের সাথে আলাপ করিয়ে দিল। আমি ৪০ বছর এদেশে সেটা বলতে ভুলল না। তবে তত্ত্বের উপর কাজ করি তাই এসবের প্রতি খুব বেশি আকর্ষণ বোধ করি না। ভিক্তর যখন কিছু দেখায় আমি ফর্মুলায় সেটা দেখার চেষ্টা করি। এর মধ্যে এক জন এলেন যিনি ৫৫ বছর ধরে রেডিও ক্লাব চালাচ্ছেন। বললেন ২৫ দেশের সাথে ওনার যোগাযোগ আছে, বাংলাদেশ আছে এর মধ্যে। ওদের কাছ থেকে বেরিয়ে দেখি হালকা বৃষ্টি। সেখানে ছাতার নীচে দাঁড়িয়ে কি নিয়ে যেন আলাপ করছেন ফ্রাঙ্ক ও শাপিরো - দুই বিশ্ব বিখ্যাত বিজ্ঞানী। ইলিয়া ফ্রাঙ্ক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী।
দুবনা, ১২ জুলাই ২০২৩

Comments
Post a Comment