বাজারে যাই

গতকাল ঠিক করেছিলাম আজ খোলা বাজারে যাব বাবুশকাদের কাছ থেকে তাদের বাগানের ফলমূল আর শাকসবজি কিনতে। শনিবার আর রবিবার বাজার খোলা থাকে ১৬.০০ পর্যন্ত। তাই গুলিয়াকে তাড়াতাড়ি করতে বললাম। আমার ভোলগা স্নান আর ওর তৈরি হতে হতে দুটো পেরিয়ে গেল। আমরা সাধারণত ব্রীজের উপর দিয়ে হেঁটে বাজারে যাই। কত আর হবে? বড়জোর পাঁচ কিলোমিটার। নীচে নেমে কখনও বুনো ফুল, কখনও বুনো ফুল তুলতে তুলতে চলে যাই। আর বাজার করে ট্যাক্সি নিয়ে বাসায় ফিরি। আজও নদী পেরিয়ে নীচে নেমে যাচ্ছি। গুলিয়া তুলছে রমাশকা বা ক্যামোমিইল আগামী বছর আমাদের বাগানে লাগাবে বলে। আমি তাড়া দিচ্ছি। হঠাৎ বলল এখানে প্রচুর জ্ভেরাবোই বা সেন্ট জোন্স ভোর্ট। জাহান্নামে যাক তোমার বাজার, আমি এই ফুল তুলব। এটা আসলে ঔষধি, অনেক কাজে লাগে। এরপর এল মালিনা (রাস্পবেরি), জেমলিয়ানিকা (স্ট্রবেরি), ভিশন্যা (চেরি), চেরনিকা (ব্লুবেরি) ইত্যাদি। গুলিয়া এসব তোলে, আমি ফল, ফুল, ঘাসদের ছবি তুলি। এসব তুলে শেষ পর্যন্ত যখন বাজারে পৌঁছলাম ওটা তখন আজকের কাজ সেরে হাত পা ধুয়ে ঘুমুতে গেছে। আমরা আরও কিছুক্ষণ হেঁটে যখন ট্যাক্সি নেব ভাবছি তখনই বাস চলে এল। সেখানে দেখা এক বন্ধুর সাথে। ও নাতনিকে নিয়ে বিড়ালের জন্য মুরগি কিনতে গেছিল। ওদের বিড়ালরা কুরিনি দম বা মুরগির বাড়ি নামে বিশেষ দোকানের মুরগি ছাড়া খায় না। বিড়ালরাও মানুষ, ওদেরও খাবারে বাছ বিচার আছে।

দুবনা, ০৯ জুলাই ২০২৩

Comments

Popular Posts