ভোলগা স্নান
এ বছর আজই প্রথম ভোলগায় গেলাম নাইতে। উত্তেজিত সূর্য বাতাসকে ২৮ ডিগ্রি পর্যন্ত তাঁতিয়ে দিয়েছে। কিন্তু ভোলগা শান্ত। কত হবে? ১৮?
এ বছর কি আজকেই প্রথম? - এক ভদ্র মহিলার প্রশ্ন।
হ্যাঁ!
অভিনন্দন!
স্পাসিবা!
এখন জল বেশ ঠাণ্ডা। গতকাল গরম ছিল।
কি আর করা!
আরও ঘন্টা দুয়েক আগে এলেই পারতেন।
অবাক হয়ে তাকালাম।
আসলে তখন বাতাস শীতল ছিল। জল আর বাতাসের তাপমাত্রার পার্থক্য বেশি না হলে তেমন অসসুবিধা হয় না।
আমি আসলে জল গরম হবার জন্য অপেক্ষা করছিলাম।
তাহলে আপনাকে সন্ধ্যার আগে আগে আসতে হবে। তখন জল গরম হবে।
ইস, এত জ্বলে পুরেও সূর্য কিভাবে আমাদের ফাঁকি দেয়!
সূর্যের আর দোষ কি? আমরা নিজেরা ঠাণ্ডা জায়গা বেঁছে নিই বসবাসের জন্য।
তা ঠিক!
যাহোক, ভালোই লাগল জলে নেমে। অবশ্য দু তিন মিনিটের বেশি থাকতে পারিনি। উঠে আবার রোদের আলোয় নিজেকে ঝলসে নিয়েছি। সমস্যা হল সূর্য কেবল একদিন থেকে তাপ দেয়। বুকে তাপ দিলে পিঠ ঠাণ্ডা, পিঠে দিলে বুক। ভাবছি চীনকে বলতে হবে কয়েকটা সূর্য আকাশে সেঁটে দিতে।
আজ বৃষ্টি থাকলে ছবিটা হতে পারত
আজি বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল।
দুবনা, ২৬ জুন ২০২২

Comments
Post a Comment